Blog by Instructory

“Find highlights of the exceptional, creative and healthy conversation on Instructory!”

Month: April 2020

Basic Spoken English

Spoken english

প্রেজেন্টেশন 🤵 👀
প্রোম্পট ফ্রেজেসগুলো ব্যবহার করতে পারেন !!
————————————————————————————————–

আমি আজ কিছু প্রোম্পট ফ্রেজেসের কথা বলবো যেগুলো ব্যবহার করে আপনারা আপনাদের কথা বলা শুরু করতে পারেন সেটা হোক কোনো প্রেজেন্টেশন বা আইইএলটিএস এর স্পিকিং টেস্টের কোনো টপিক !

1️⃣ সূচনা/ ভুমিকা প্রোম্পট ফ্রেজেসগুলো ঃ
কোনো টপিক নিয়ে কথা বলার শুরুতে যে প্রোম্পট ফ্রেজেসগুলো ব্যবহার করতে পারেন –

Today, I’d like to talk to you about….
In this talk, I’m going to describe to you how….
I want to tell you about….
Today, I would like to discuss…
Good morning/Good afternoon. Today, I want to give you a short talk on…

2️⃣ আপনার স্পিচের মেইনবডিতে যে প্রোম্পট ফ্রেজেসগুলো ব্যবহার করতে পারেন ঃ
First of all….
And why do I like it so much? Well, it….
To begin with….
One of the most interesting things about….
This is the most important day/thing in my life because…

3️⃣ আপনি আপনার স্পিচের ডিসকাশনে যে প্রোম্পট ফ্রেজেসগুলো ব্যবহার করতে পারেন ঃ
Another reason why I like …..
Moreover it….
One of the main advantages…
For instance…..
One of the consequences….
This appeals to me, because…
I get a a lot of pleasure out of….
I am very fond of….
Another unusual fact about….
I like … more than anything else because….

4️⃣ উপসংহারে বা আপনার টপিক ডিসকাশনের শেষে যে প্রোম্পট ফ্রেজেসগুলো ব্যবহার করতে পারেন ঃ
In conclusion,…
To wrap up,….
To conclude,….
To sum up,….

আপনি এসব প্রোম্পট ফ্রেজেস ব্যবহার করে আপনার স্পিচকে করে তুলতে পারেন অন্যদের চেয়ে ভিন্ন ! 💯

বেসিক স্পোকেন ইংলিশ ।
ইন্সট্রাক্টর: আকাঙ্খা শিকদার
কোর্স লিংক : https://instructory.net/…/akankhashiqd…/basic-spoken-english

#TipsByMunmun #EverydayTips #InstructorySupport #Instructory #Teach_Anything_Learn_Anytime

read more articles

Flyer Design – Based on Freelancing Marketplace

Flyer design

Flyer Design – Based on Freelancing Marketplace

আপনি কি এডোবি ইলাস্ট্রাটর এবং এডোবি ফটোশপ এর বেসিক জানেন??? তাহলে ফ্লায়ার ডিজাইন কোর্সটি আপানার জন্য একদম পারফেক্ট ।
ফ্লায়ার ডিজাইন করাই হয় প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের প্রচারের জন্য । কে কতোটা ইউনিক ফ্লায়ার ডিজাইন করতে পারেন তা নির্ভর করে তার রিসার্চের দক্ষতার উপর । এরপর আসবে কে কতোটা ভালভাবে ক্লায়েন্টর রিকুয়ারমেন্ট বুঝতে পারেন তার উপর । যত দ্রুত আপনি ক্লায়েন্টর রিকুয়ারমেন্ট বুঝতে পারবেন তত দ্রুত আপনি ডিজাইনে মনোযোগ দিতে পারবেন । আর যখন আপনি ফ্লায়ার ডিজাইনে ক্লায়েন্টর রিকুয়ারমেন্ট + ডিজাইনের কম্বিনেশন করতে পারবেন তখনি আপনি একজন সফল ফ্লায়ার ডিজাইনার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন ।

কোর্সে কি পাবেন?

১. ফ্লায়ার কি?
২. সম্পূর্ণ নতুন ২০ টা প্রোজেক্ট।
৩. সবগুলো মার্কেটপ্লেস বেসড প্রোজেক্ট।
৪. কোন ধরনের প্রোজেক্ট এ কি ধরনের কাজ করতে হবে ।
৫. ফ্লায়ার ডিজাইনের উদ্দেশ্য ।
৬.স্পেশাল কিছু ট্রিকস যা একটি ফ্লায়ার ডিজাইনকে অনেক স্মুথলি করতে সাহায্য করবে ।
৭. কিভাবে ফ্রি এলিমেন্ট ব্যবহার করে কাজ করবেন ।
৮. ৪৫টি লেসন রয়েছে যারা ভিডিও ডিউরেশান ১০+ ঘন্টা।এবং ভবিষৎে আরও লেসন, টিপস/ট্রিকস সংযুক্ত করা হবে ।
৯. কিভাবে ক্লায়েন্টের রিকুয়ারমেন্ট পর্যালোচনা করে প্রোজেক্ট কমপ্লিট করা যায়।
১০. কিভাবে আপনার ফ্লায়ারটি মার্কেটে একটা পারফেক্ট কম্পিটিটর হিসেবে কাজ করবে।

কি কি জানা লাগবে?

আগেই বলেছি এডোবি ইলাস্ট্রাটর এবং এডোবি ফটোশপ এর বেসিক মানে গ্রাফিক ডিজাইনের বেসিক জানলেই আপনি একজন সফল ফ্লায়ার ডিজাইনার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন ।

ইনকাম ?

ইনকাম করবেন কাজ শেখার পর । যদি আপনার স্কিল, কমিউনিকেশন এবং একটা সুন্দর পোর্টপোলিও রেডি থাকলে ইনকাম করা কোনও ব্যাপার না। এবার আসি অ্যামাউন্ট প্রসঙ্গে । প্রোজেক্ট আর ক্লায়েন্টের উপর ডিপেন্ড করে একটা প্রোজেক্ট ৫ ডলার থেকে ১০০+ ডলার ইনকাম হতে পারে ।

কোর্স লিংক:

ইন্সট্রাক্টর- শাহিদা আরবী
মুল্য – ২৮৭৫ টাকা মাত্র (১৫% ভ্যাট যোগ করে)
read more articles

ডিজিটাল মার্কেটিং

Digtital maketing
বর্তমান সময়টাকে ডিজিটাল যুগ বলা হচ্ছে তাই সব কিছুর প্যাটার্ন ডিজিটাল হয়ে যাচ্ছে। ঠিক তেমনি ভাবে মার্কেটিং ব্যবস্থাটাও সম্পূর্ণ ডিজিটাল হওয়ার পথে। পণ্য বা সেবাগুলোকে বিজ্ঞাপনসহ বাজার গবেষণা করার মাধ্যমে বিক্রি করার পক্রিয়াকেই মার্কেটিং বলে। আর ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ডিজিটাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার বিক্রয় কাজ পরিচালনা করাকে বুঝায়।

ডিজিটাল মার্কেটিং এ যা করতে হয়

আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান, তবে জেনে নিন এই ক্যারিয়ারে আপনাকে কী কী কাজ করতে হবে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে একজনের পণ্য বা সার্ভিস অন্যদের কাছে ডিজিটাল্লি পৌঁছে দেয়া। আর এটির জন্যে নানা ধরণের কাজ করতে হয়। তার মাঝে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ব্যবহৃত কাজগুলো দেখে নিন নিচের তালিকায় –
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাউজেশন
  • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
  • ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং
  • কন্টেন্ট মার্কেটিং
  • কন্টেন্ট অটোমেশন
  • ক্যাম্পেইন মার্কেটিং
  • ইমেল মার্কেটিং
  • ডাটা-ড্রাইভেন মার্কেটিং
  • সোশ্যাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
  • ই-কমার্স মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার ও সম্ভাবনা

যারা এইমুহূর্তে নিজের ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার শুরু করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য আমরা এখন সেরা কিছু টিপস নিয়ে করব আলোচনা!
  • সবকিছু থেকে শিখুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াকে সঠিকভাবে কাজে লাগান
  • লিংকডইন প্রোফাইল তৈরী করুন
  • ব্লগিং শুরু করুন
  • মেন্টর খুঁজে বের করুন
  • নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখুন
  • নিজস্ব ব্র‍্যান্ড তৈরী করুন
  • নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করুন
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি, পড়াশোনা সবকিছু এগিয়ে যাচ্ছে প্রযুক্তির সঙ্গে। সময়ের পরিবর্তনে সবকিছুই প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। আর এ তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে আমরা যে কোনো কাজ খুব সহজেই করতে পারছি। আর সেই সঙ্গে আমরাও সময়ের সঙ্গে নিজেদের মিলিয়ে নিতে পারছি। যেমন আগে আমাদের কোনো পণ্য ক্রয় করতে হলে বাজারে-মার্কেটে যেতে হতো। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কল্যাণে এখন আমরা ঘরে বসেই নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পারি খুব সহজেই।
আগে বা পরে আমাদের চারপাশের সব ব্যবসা-বাণিজ্যই প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়বে। সেকারণে ডিজিটাল মার্কেটিং ক্ষেত্রে কর্মীর চাহিদা অদূর ভবিষ্যতে কমার কোন সম্ভাবনা নেই। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার গড়ার জন্য আজ থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করা শুরু করে দিন।
বিস্তারিত জানতে কলঃ ০১৮৭২ ৬৫০৬৮৭
read more articles

ইউটিউব মার্কেটিং কি?

youtube marketing

ইউটিউব মার্কেটিং কি?

ইউটিউব হচ্ছে একটা Video Sharing Platform এবং পৃথিবীর সকল ভিডিও শেয়ার সাইটের মধ্যে ইউটিউব সবথেকে জনপ্রিয় এবং ইউজার বান্ধব। ইউটিউবে দৈনিক কি পরিমান Visitor আসে এবং এদের কাছে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড এবং শেয়ারের মাধ্যমে কোন পণ্যের বা সেবার পরিচিতি পৌঁছে দেওয়াই হচ্ছে ইউটিউব মার্কেটিং। এক কথায়, ইউটিউব ভিডিও এর মাধ্যমে কোন পণ্য বা সেবার মার্কেটিং করাকেই ইউটিউব মার্কেটিং বলে।

কেন করবেন?

১. সাধারণত এমন সব ক্রেতাদের লক্ষ্য করে ভিডিও মার্কেটিং করা হয়ে থাকে যাদের আর্টিকেল পড়ার ধৈর্য্য নেই। এতে খুব সহজে ব্যবহারকারীরা না পড়েও ভিডিও দেখে পণ্য সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন।
২. বর্তমানে মার্কেটপ্লেসে ভিডিওয়ের চাহিদা রয়েছে অনেক। আপনি চাইলে ভিডিওয়ের মাধ্যমে সহজে পণ্যের গুণাগুন সম্পর্কে জানাতে পারবেন। ফলে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ভিডিও দেখার পণ্যের গুণমান সম্পর্কে কোনও সন্দেহ থাকে না।
৩. সাধারণত ভিডিওয়ের ফলে গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে ভালো প্রভাব বিস্তার করা যায়। এখন মার্কেটপ্লেসে ভিডিও মার্কেটিংয়ের প্রতিযোগীতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি, কিন্ত ভাল মানের ভিডিও অনেক কমই আছে। আপনি যদি ভাল মানের ভিডিও করেন তা সহজে ফল পাবেন।

কিভাবে করবেন?

১. ভিডিও টি নিজের ক্যামেরা বা ফোন থেকে করা। অর্থাৎ ভিডিওর মালিক বা স্বত্বাধিকার আপনাকে হতে হবে।
২. সম্পূর্ন ইউনিক এবং কপিরাইট বিহীন এমন ভিডিও হতে হবে ।
৩. সব বয়সী লোকের কাছে গ্রহণযোগ্য এমন ভিডিও বানাতে হবে।
৪. সঠিক অডিও স্ট্রিম হতে হবে। অন্য কারো মিউজিক ব্যবহার করা যাবে না।
৫. সঠিক ভিডিও বিট-রেট, ফ্রেম রেট, রেজুলেশন, অডিও বিট-রেট এগুলো সব ঠিক হতে হবে।
৬. ভিডিও টাইম ৪-৬ মিনিট লেংথ এর হলে ভাল । সাধারণত লেংথ বেশী হলে ইউজারের বিরক্তি চলে আসে যা আপনার চ্যানেল এর জন্য অনেক ক্ষতিকর।
৭. অবশ্যই ভিডিওতে আপনার চ্যনেলের লোগো ব্যবহার করেন। এতে চ্যনেলের প্রতি ইউজারের বিশ্বাস দৃঢ় হবে এবং আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইবারও বৃদ্ধি পাবে ।
৮. দুই একটি ভিডিও আপলোড করেই শেষ নয়। নিয়মিতভাবে ভিডিও আপলোড করতে হবে এবং শিডিউল মেনে পোস্ট করতে হবে।
ইউটিউব এমন একটা প্ল্যাটফর্ম যার মাধ্যমে আমরা আমাদের পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য, জ্ঞান সম্পর্কিত কোন তথ্য বা যে কোন আনুষঙ্গিক তথ্য ভিজুয়াল এর মাধ্যমে উপস্থাপন করা যায় । উপরের পদ্ধতিগুলো মেনে চললে আপনিও একজন সফল ইউটিউবার হতে পারবেন ।

কোর্স লিংক : https://instructory.net/course/social-media-marketing/alihaque96/youtube-marketing-a-to-z-full-course

বিস্তারিত জানতে কলঃ ০১৮৭২ ৬৫০৬৮৭

read more articles

Digital Marketing

instagram marketing

ইন্সটাগ্রাম এমন একটি সোশ্যাল মিডিয়া যা খুব দ্রুত টপ লেভেলের সোশ্যাল মিডিয়াতে পরিনত হয়েছে। এই সোশ্যাল মিডিয়াতে ফলোয়ারা এঙ্গেজও হয় অনেক দ্রুত। তাই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে ইন্সটাগ্রামকে ব্যবহার না করা একটি বড় ধরনের বোকামী। বর্তমানে বেশিরভাগ ডিজিটাল মার্কেটাররাই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে ইন্সটাগ্রামকে যুক্ত করছেন।

ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে শুধু ইন্সটাগ্রামে পোষ্ট করলেই মার্কেটিং এ সফলতা পাওয়া যাবে না। ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম বা কৌশল অবলম্বন করতে হবে। ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং এ যেসব মেথডগুলো ভালোভাবে কাজ করবে, সেগুলো হচ্ছে
  • ইন্সটাগ্রামে ব্যবহারকারীরা খুব দ্রুত পোষ্ট করে এবং ইচ্ছেমত যেকোন ছবি পোষ্ট করে। কিন্তু যখন আপনি একজন মার্কেটার আপনার পণ্য মার্কেটিং করার জন্য পোষ্ট করবেন তখন অবশ্যই প্রতিটি পোষ্ট কোন স্ট্র্যাটেজির মাধ্যমে বা কৌশল অনুসারে পোষ্ট করবেন। ভালো ফলাফল পেতে আপনার পোষ্টে সৃজনশীলতা রাখতে হবে। যাতে ফলোয়ারা আপনার সৃজনশীলতা দেখে আকৃষ্ট হতে পারে।
  • ইন্সটাগ্রামের অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের মধ্যে একটি হল আপনার কি পোষ্ট করা উচিত। আপনি যদি জানতে চান আপনার কি পোষ্ট করা উচিত, কি পোষ্টের মাধ্যমে আপনি বেশি বেশি লাইক শেয়ার পাবেন তাহলে সর্ব প্রথম আপনার অডিয়েন্সকে চিনুন।
  • দেখুন কোন ফলোয়ার গুলো বেশি এঙ্গেজ হয়, কোন কন্টেন্ট গুলোতে সবচেয়ে বেশি এঙ্গেজমেন্ট হয়েছে এবং কেন হয়েছে। এই রকম সকল তথ্য গুলো বিশ্লেষণ করলে আপনি বুঝতে পারবেন কোন ধরনের কন্টেন্ট আপনার শেয়ার করা উচিত।
  • হ্যাস(#) ট্যাগ ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক মানুষকে পোষ্ট দেখানো এবং অরগানিকভাবে অডিয়েন্স বৃদ্ধি করার একটি জনপ্রিয় এবং প্রমানিত পদ্ধতি। তাই সকল মার্কেটারই এই পদ্ধতি ব্যবহার করে। হ্যাসট্যাগ ব্যবহারের আগে আপনাকে কিছু জনপ্রিয় হ্যাসট্যাগ সংগ্রহ করতে হবে আপনার মার্কেট/প্রোডাক্ট/সার্ভিস সম্পর্কিত। হ্যাসট্যাগ খোজার ক্ষেত্রে যেকোন জনপ্রিয় হ্যাসট্যাগ ব্যবহার না করে আপনার কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করেন। সার্চের সাথে সাথে দেখতে পারবেন জনপ্রিয়তা অনুসারে হ্যাসট্যাগ গুলো। সেখান থেকে হ্যাসট্যাগ নিয়ে পোষ্টে ব্যবহার করুন।
  • ইন্সটাগ্রামে সফল হওয়ার সবেচেয়ে গুরুত্বপূর্ন চাবি হল এঙ্গেজ থাকা। তাই আপনাকে বিভিন্ন ভাবে এঙ্গেজ থাকতে হবে। চেষ্টা করুন ফলোয়ারদের প্রতিটি কমেন্টে উত্তর দিতে। উত্তর বা সাড়া দেওয়ার মাধ্যমে ফলোয়ারদের সাথে অনেক বেশি এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পায়। এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি করতে শুধু আপনার পোষ্টে উত্তর দিলে হবে না। বিভিন্ন টার্গেটেড ফলোয়ারদের ছবিতে কমেন্ট করতে হবে, লাইক দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে মনে রাখবেন অপ্রাসঙ্গিক কোন ছবি তে লাইক দিবেন না। তাহলে ব্রান্ড প্রচার হবে না।
ধন্যবাদ!
read more articles

টুইটার মার্কেটিং টিপস যা আপনার কাজে আসবেই

সঠিক টুইটার হ্যান্ডেল/ প্রোফাইল ফোটো/ হেডার ফোটো নির্বাচন-

আপনাকে এমন একটি টুইটার হ্যান্ডেল বাছতে হবে যেটিকে ক্রেতারা সহজে মনে রাখতে পারে, বাকিদের থেকে আলাদা করতে পারে। এবং অবশ্যই সেটিকে ছোটো হতে হবে। চেষ্টা করবেন সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন আপনার একরকম নাম থাকে। আপনার প্রোফাইল পিকচারে কোম্পানির লোগো ব্যবহার করুন। এতে মানুষ কোম্পানিটি বেশি ভালোভাবে চিনবে।
ব্র্যান্ড পার্সোনালিটি দেখানোর জন্য বায়ো অপটিমাইজ করুন-
বায়োতে ছোটো করে লিখুন আপনি কে, কী করেন, আপনার কোম্পানির নাম কী, কার সঙ্গে আপনি এই কোম্পানি শুরু করেছেন ইত্যাদি। আপনার ব্র্যান্ডটি ঠিক কীসের তা পরিষ্কারভাবে লিখুন। কতজন গ্রাহক আছে সেটা উল্লেখ করতে পারেন। অন্য কোনও ব্র্যন্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকলে সেগুলিকে ট্যাগ করুন। প্রয়োজনীয় হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন।

‘পিক আওয়ার’-এ টুইট করুন –

আপনাকে দেখতে হবে সপ্তাহের কোন দিন বা দিনের কোনও নির্দিষ্ট সময়ে টুইটারে ইউজাররা বেশি অ্যাকটিভ থাকে। সেই সময় কোনও কিছু পোস্ট করলে তা বেশি মানুষের কাছে পৌঁছোবে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, বাকি দিনগুলির তুলনায় শুক্রবার, শনিবার, ও রবিবার করা টুইটগুলির সিটিআরএস অনেক বেশি থাকে। এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোনও কিছু পোস্ট করার সেরা সময়। আবার কয়েকজনের মতে, সোমবার-শুক্রবার পর্যন্ত দুপুর ১২টা ও দুপুর ৩টেয় কোনও কিছু পোস্ট করলে তা বেশি ছড়িয়ে পড়ে।

হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন –

একটি সঠিক হ্যাশট্যাগ কোনও পোস্টের এনগেজমেন্টকে দ্বিগুণ করে দেয়। তবে দু’টোর বেশি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করলে এনগেজমেন্ট ১৭ শতাংশ কমে যায়। তাই আপনার পোস্টের জন্য প্রয়োজনীয় সঠিক হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে টুইটার অ্যানালিটিকের মাধ্যমে সেরা হ্যাশট্যাগগুলি দেখে নিতে পারেন। অথবা হ্যাশট্যাগিফাই টুলও ব্যবহার করতে পারেন।

অ্যাডভান্সড সার্চ –

কোনও কিছু পোস্ট করার আগেই যদি আপনি জানেন আপনার ব্র্যান্ড বা জিনিসের প্রতি কারা বেশি আগ্রহী তাহলে আপনার টুইটার মার্কেটিংয়ের কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যাবে। উদাহরণ- ধরুন আপনার বেকারি রয়েছে। টুইটার অ্যাডভানসড সার্চের মাধ্যমে বেকারি বা কেক লিখে সার্চ করে নিন। এর ফলে আপনার এলাকায় কারা কেকের খোঁজ করতে বা বেকারির অন্যান্য জিনিসের প্রতি আগ্রহী সেই সংক্রান্ত সঠিক তথ্য আপনার কাছে চলে আসবে।
রিটুইট বাড়ানোর জন্য টুইট-এ ছবি ব্যবহার করুন-
টইটার পোস্টে ছবি ব্যবহার করলে অনেক ৮৯ শতাংশ বেশি লাইক ও শেয়ার হয়। তাই পোস্টের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ছবি পোস্ট করুন। বিভিন্ন ডিসকাউন্ট বা স্পেশাল অফারের গ্রাফিক্স করেও পোস্ট করতে পারেন।

টুইটার ভিডিও ব্যবহার করুন-

সাধারণ টেক্সটের থেকে যেমন ছবি ভালো, আবার ছবিকেও ছাপিয়ে যায় ভিডিও। অ্যাডউইকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একটি ভিডিও পোস্ট ছবির পোস্টের থেকে ছ’গুণ বেশি রিটুইট হয় ও একটি ছবির পোস্ট জিআইএফ পোস্টের থেকে ৩ গুণ বেশি রিটুইট হয়।

পোল তৈরি করে ফলোয়ারদের যুক্ত করুন-

আপনার পেজে এনগেজমেন্ট বাড়ানোর ক্ষেত্রে পোল একটি অতি সহজ উপায়। অ্যাড টু নিউ টুইটে ক্লিক করে পোল আইকনে ক্লিক করুন। তারপর প্রয়োজনীর প্রশ্ন লিখে দিন। আর ফলে ইউজার এনগেজমেন্ট বাড়বে। পাশাপাশি মার্কেট রিসার্চ, ফিডব্যাক, কনজিউমার রিসার্চও হবে। অন্যান্য সফল ব্র্যান্ডগুলি কীরকম পোল করছে সেগুলি নজরে রাখতে পারেন।

ক্রিয়েটিভ সিটিএ ব্যবহার করুন-

টুইটার মার্কেটিংয়ের অন্যতম লক্ষ হল সেল বাড়ানো, লিড তৈরি, ক্লিক বুস্ট করা, ডাউনলোড বাড়ানো। আপনি কিছু সহজ সিটিএ ব্যবহার করে ইউজার এনগেজমেন্টকে আরও বাড়াতে পারেন। সেক্ষেত্রে কিছু শব্দ আপনার খুবই কাজে আসবে। যেমন- ফলো আস, ভিজিট আওয়ার সাইট, শপ আওয়ার সেলস, ডাউনলোড হিয়ার, লার্ন মোর, শপ নাও। ‘ফ্রি’ শব্দটি বিভিন্নভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

টুইটারে এ/বি টেস্টিংয়ের মাধ্যমে শিরোনাম পরীক্ষা করুন-

টুইটারে শিরোনাম পরীক্ষা করার অন্যতম সেরা জায়গা। টুইরয়েডের মাধ্যমে দেখে নিন দিনের কখন সবচেয়ে বেশি ইউজার অনলাইন রয়েছে। তখন ৪-৫টি শিরোনাম ট্র্যাকেবল লিঙ্ক সহকারে পোস্ট করুন। অপটিমাইজলি-র মাধ্যমে সেগুলিকে ট্র্যাক করুন। কোনটি মানুষের বেশি পছন্দ হচ্ছে তার তথ্য সহজেই পেয়ে যাবেন।
প্রভাবশালীদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন
প্রভাবশালীদের মাধ্যমে নিজের কোম্পানির প্রোমোশন করতে পারেন। সোশ্যাল মিডিয়ার ইনফ্লুয়েন্সারদের ফলোয়ার সংখ্যা বেশি হওয়ায় আপনার ব্র্যান্ড বেশি মানুষের কাছে পৌঁছোবে। এর জন্য আপনাকে কিছু অর্থ ব্যয়ও করতে হতে পারে।

টুইটার বিজ্ঞাপন-

টুইটারে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। তবে ফেসবুকের থেকে টুইটারে বিজ্ঞাপন দেওয়া বেশি খরচ সাপেক্ষ। কিন্তু আপনার পোস্ট বা ইউজার বুস্টের ক্ষেত্রে এটা খুবই উপযোগী।

শেষ কথা:

ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়ানো ও ইউজার এনগেজমেন্ট বাড়ানোর জন্য টুইটার হল একটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কিন্তু অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াগুলির থেকে এখানকার পোস্ট খুব তাড়াতাড়ি পুরোনো হয়ে যায়। তাই খুব অল্প সময়ের মধ্যে মানুষের মনের কাছে পৌঁছে যেতে আপনাকে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে আসতেই হবে।

আপনি টুইটার মার্কেটিং করে সফল হতে চাইলে ডিজিটাল মার্কেটিং, কন্টেন্ট রাইটিং ও প্রিন্ট অন ডিমান্ড কোর্সগুলো নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।

কোর্স লিংক:

 

read more articles

ওয়ার্ডপ্রেস

wordpress

ওয়ার্ডপ্রেস

ওয়ার্ডপ্রেস বর্তমান সময়ের বহুল ব্যবহৃত এবং সর্বাধিক জনপ্রিয় কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ওয়ার্ডপ্রেস এমন একটি সিএমএস যার মাধ্যমে খুব সহজেই যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট এবং ব্লগ তৈরি করা যায়। এটি ওপেনসোর্স সফটওয়ার হওয়ায় বিশ্ব দরবারে অধিক জনপ্রিয়।

ওয়ার্ডপ্রেসের সাফল্যের চাবিঃ

ওয়ার্ডপ্রেস এর সাফল্যের মুল চাবি হল এর আধুনিকায়ন। যুগের সাথে তাল মিলাতে ওয়ার্ডপ্রেস পায় প্রতি বছরই ওয়ার্ডপ্রেসের বড় ধরনের আপডেট নিয়ে আসে। তাছাড়া প্রতিনিয়তই ছোট ছোট আপডেট নিয়ে আসে ওয়ার্ডপ্রেস। যা এর ব্যবহারকারীদেরকে দেয় নতুনত্তের ছোঁয়া। তাছাড়া ওয়ার্ডপ্রেস হল সহজ এবং নিরাপদ একটি কন্টেন্ট মেনেনেজমেন্ট সিস্টেম। ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে নিজস্ব থিম এবং প্লাগিন ডাইরেক্টরি যেখানে আছে অসংখ্য থিম এবং প্লাগিন। এটাও এর জনপ্রিয়তার একটি কারন।

ওয়ার্ডপ্রেসের সুবিধা সমূহঃ

আসলে ওয়ার্ডপ্রেসের সুবিধার কথা বলে শেষ করা যাবে না। তারপরেও ওয়ার্ডপ্রেসের প্রধান কিছু সুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করছিঃ
  • ওয়ার্ডপ্রেস একটি ওপেনসোর্স সিএমএস বিধায় এর জন্য কোন অর্থ প্রদান করতে হয় না।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস, যা অদক্ষ ব্যবহারকারীও খুব সহজেই এটা ব্যবহার করতে পারে।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে অগণিত থিম এবং প্লাগিন এর ফ্রি ডাইরেক্টরি, যা আপনার কাজকে করে তুলবে গতিময় এবং আরও সহজ।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে ব্লগসাইট, বিজনেস সাইট, ই-কমার্স সাইট, বিভিন্ন ওয়েব এপ্লিকেশন সাইট ইত্যাদি সহ যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট খুব সহজেই তৈরি করা যায়।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে অসাধারন একটি টেক্সট এডিটর যেখানে আপনি একসাথে ভিজুয়াল এবং HTML ভিউতেই লিখতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে রয়েছে বিল্ট-ইন মিডিয়া আপলোডার, যার মাধ্যমে খুব সহজেই লেখার মাঝে ছবি, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি যুক্ত করতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে রয়েছে ইউজার ফ্রেন্ডলি নেভিগেশন সিস্টেম। যা, আপনার ওয়েবসাটকে করে তুলবে সুন্দর এবং সহজ।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইটটিকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইটের সাথে যুক্ত করতে পারবেন। এতে বিশ্বের সাথে আপনার ওয়েবসাইটটি পরিচিত হবে।
  • ওয়ার্ডপ্রেস একটি সম্পূর্ণ এসইও ফ্রেন্ডলি CMS, ফলে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে আপনার ওয়েবসাইট থাকবে এক ধাপ এগিয়ে।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে রয়েছে ইউআরএল স্ট্রাকচার নিয়ন্ত্রন করার ব্যবস্থা। ফলে আপনি আপনার ইচ্ছামতো এটাকে পরিবর্তন করতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের সব গুন এভাবে বলা সম্ভব না। আপনি এটা ব্যবহার করলেই এটার প্রেমে পরে যাবেন নিশ্চিত।

ওয়ার্ডপ্রেস এর বর্তমান চাহিদাঃ

ওয়ার্ডপ্রেসে সহজেই সবকিছু করা যায় বলে বিশ্বব্যাপী এই কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(সিএমএস) এর এত চাহিদা। ছোট এবং মাঝারি ব্যবসা থেকে শুরু করে বড় বড় কর্পোরেট এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও এখন ওয়ার্ডপ্রেস (সিএমএস) দিয়ে নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরি করছে। আর এ কারণেই ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাহিদা বাড়ছে দিন দিন বাড়ছে! বাংলাদেশী অনেক ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার রয়েছেন যারা ফ্রিল্যান্সার এবং ফাইবার-আপওয়ার্ক সহ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ ডলার রেটে কাজ করে থাকেন। একজন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার কাজ শুরু করতে পারেন ন্যূনতম ১০ থেকে ১২ ডলার প্রতি ঘন্টা রেটে। অর্থ্যাৎ দিনে যদি কেউ ৮ ঘন্টা কাজ করেন তবে একজন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারের প্রাথমিক আয় শুরু হবে প্রতি দিন ৮০ থেকে ১০০ ডলার, মাসে ৩ হাজার ডলার।
এ তো গেল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোর কথা, আবার একজন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার চাইলে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ না করে নিজস্ব ওয়ার্ডপ্রেস প্রোডাক্ট তৈরি করেও বিশাল আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে পারেন। যেমন ওয়ার্ডপ্রেস থিম তৈরি করেও সেগুলো বিক্রি করতে পারেন বিভিন্ন থিম মার্কেটপ্লেসে। থিম বিক্রির জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস থিমফরেস্টের কর্পোরেট ক্যাটেগরির শীর্ষ বিক্রি হওয়া থিমগুলোই একবার দেখুন, কি পরিমাণ রেভুন্যু এসেছে একেকটা থিম থেকে!! এক ‘ইউ ডিজাইন’ থিম টা-ই বিক্রি হয়েছে ৮ কোটি টাকা!! এখনও প্রতিদিনই বিক্রি হচ্ছে এ থিমটি। এর পরের থিমগুলোও বিক্রি হয়েছে ৬ কোটি টাকা-৭ কোটি টাকা!! চিন্তা করে দেখুন একবার, এক থিম ডেভেলপ করে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপাররা কি পরিমাণ টাকা ঘরে নিচ্ছেন। থিম বিক্রির এ মার্কেটপ্লেসে থিম বিক্রির গড় হার ১০ লাখ টাকা করে। অর্থ্যাৎ সময় এবং নিজের ক্রিয়েটিভিটিকে কাজে লাগিয়ে থিম তৈরি করেও বিপুল পরিমাণ আয় করার সুযোগ রয়েছে। বিপুল পরিমাণ এ অর্থের একটা অংশ আসতে পারে নিজের ঘরেও!
কেবল প্রোডাক্ট কিংবা ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ারই নয়, কর্পোরেট এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোতেও এখন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাহিদা অনেক। বিদেশী কোম্পানিগুলোতে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের প্রচুর চাহিদা, আর এখন বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাকুরির সুযোগ বাড়ছে।
ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট এখন এমন একটি ক্ষেত্র, যেখানে কাজের আসলে কোন অভাব নেই। বিশাল এই কাজের ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য এখন কেবল প্রয়োজন দক্ষতা। আপনার যদি মনোবল আর ইচ্ছা থাকে, তবে এই দক্ষতা অর্জন কোন ব্যাপার নয়।
ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ইন্সট্রাক্টরিতে ” কমপ্লিট ওয়ার্ডপ্রেস থিম এন্ড প্লাগিন কাস্টমাইজেশন ফর বিগেনার” শিরোনামে ফারহান রহমান ভাই এর একটি কোর্স রয়েছে ।
read more articles

Bootsnipp

bootsnipp

Bootsnipp

এটার নাম শুনেছি কখনও? হয়তো যারা ওয়েব ডিজাইন কাজ করি তারা কেউ কেউ জানি আবার কেউ কেউ জানি না। যারা জানি না তাদের জন্য এই পোস্ট-

আমরা যারা Bootstrap নিয়া কাজ করি তারা কম বেশি Bootstrap এর বিভিন্ন টেমপ্লেট ব্যবহার করতে থাকি কিন্তু এগুলো অনেক কাস্টোমাইজেশন করা লাগে কিন্তু যদি আমাদের Bootstrap template গুলো আগে থেকেই সুন্দর করে গুছানো থাকে তাহলে কেমন হয়? Bootsnipp এ javascript, jquery, bootstrap, html এবংCSS সম্বলিত অনেক জিনিস রয়েছে শুধু সার্চ করবেন আর পেয়ে যাবেন।
নিচে কিছু স্কিনশর্ট দিলাম।No photo description available.Image may contain: 1 person, smiling, text and outdoor
read more articles

Learn Phonetics

ইংরেজি শেখাটা জরুরি- এ কথা সবাই মানেন। ঘরে বসেই অনলাইনে শিখে ফেলতে পারেন ইংরেজি।
শিক্ষার্থীদের শেখার জায়গা যদি হয় ক্লাসরুম, তাহলে পেশাজীবী কিংবা ব্যবসায়ীদের শেখার জায়গা কোথায়?’ উত্তরে অনলাইনের কথাই আসবে আগে। অনলাইনে শিক্ষামূলক অনেক বিষয় থাকে। ইংরেজি শেখারও সুযোগ আছে। পেশাজীবী কিংবা ব্যবসায়ীরাই শুধু নয়, শিক্ষার্থীরাও এর সুফল পাবেন। ব্যাকরণ, উচ্চারণ রীতি, কথোপকথন, ভোকাবুলারি, ফোনেটিক্স, বেসিক ইংলিশ, বিজনেস ইংলিশ, আইইএলটিএস, টোফেল, ইএসএল, ইএসওএল, ইএফএল, ইএসপি দিয়ে সমৃদ্ধ অনলাইনের ইংরেজি জগৎ। তা ছাড়া ইংরেজি ভাষা শেখার সহায়ক ই-বই, লেসন, অডিও, মুভিসহ অনেক রিসোর্স পাওয়া যাবে অনলাইনে। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন ওয়েবসাইট।

শুদ্ধ ইংরেজিতে কথোপকথন
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
ঘরে বসেই যাঁরা ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা করতে চান তাঁদের জন্য ইন্টারনেট সংযোগই যথেষ্ট। টিউটোরিয়াল সাইটগুলোতে শুদ্ধ কথোপকথন শেখার কৌশল ও দিকনির্দেশনার পাশাপাশি শুনে শেখার জন্য রয়েছে অসংখ্য অডিও ফাইল।
এমনই একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে- www.audioenglish.net
সাইটটিতে আড়াই হাজারের বেশি অডিও ফাইল রয়েছে।
ইংরেজিতে দক্ষতা যাচাই করারও অপশন আছে সাইটটিতে।

আরো কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানা-
www.audioenglish.net
www.focusenglish.com
www.teachingenglish.org.uk
www.yourenglishonline.com

ফোনেটিক্স কি, কেন প্রয়োজন? জানতে পারবেন Muhammad Yeasir স্যার এর ফেসবুক লাইভ থেকে ! check out here- https://www.facebook.com/Phonetician/videos/10215121188217539/UzpfSTM4NTE2ODQ3MTk0NjUxODo4ODQ3NTMwOTE5ODgwNTE/?epa=SEARCH_BOX

🔵 গল্পে গল্পে ফোনেটিক্স ।
ইন্সট্রাক্টর: মুহাম্মদ ইয়াসির
মূল্যঃ ৩৫০০ টাকা
কোর্স লিংক : https://instructory.net/…/tesolbangla…/golpe-golpe-phonetics

read more articles

কিভাবে এনিমেশন ফ্রেম তৈরি করবেন !!

এনিমেশন ফ্রেম
এ পদ্ধতির শুরুতে একটি ফ্রেম নিয়ে কাজ করতে হয়। এজন্য মেনুবারের ফাইল অপশন থেকে New-তে অথবা টুলবারের নিউ এনিমেশন বাটনে ক্লিক করলে একটি উইন্ডাে ইফেক্ট ওপেন হবে। সেখানে এনিমেশন ফ্রেমের আকার এবং রং সিলেক্ট করে ওকে-তে ক্লিক করলে সেই অনুযায়ী একটি খালি ফ্রেম তৈরি হবে। এছাড়া ওপেন অপশনে ক্লিক করে যেকোন একটি ছবি এনিমেশন ফ্রেমে ওপেন করে নিতে পারেন অথবা পেইন্ট টুল দিয়ে নিজের ইচ্ছেমত এঁকে নিতে পারেন। যদি আপনি ছবিটা উপর-নিচ অথবা উল্টা করতে চান, তাহলে মেনুবারের এনিমেশন অপশন থেকে ফ্লিপ-এ ক্লিক করুন। একইভাবে ডানে-বামে পরিবর্তন করতে হলে মিরর-এ ক্লিক করুন। এছাড়া অতিরিক্ত খালি ফ্রেম যােগ করতে হলে ইনসার্ট ফ্রেমস-এ গিয়ে এম-এ ক্লিক করলে একটি উইন্ডাে ওপেন হবে। সেখানে কতগুলো ফ্রেম লাগবে, কত নম্বর ফ্রেমের আগে ফ্রেম যােণ করতে হবে, ডিসপ্লে টাইম-এসব সেট করে ওকে-তে ক্লিক করতে হবে। যদি অন্য কোন এনিমেশনের ফ্রেম যােগ করতে হয় তাহলে সেখান থেকে ফ্রম ফাইল-এ ক্লিক করলে একটি উইন্ডাে ওপেন হবে। সেখানে আগের মত ফ্রেম সংখ্যা, ফ্রেম নম্বর, ডিসপ্লে টাইম সেট করে ওকে-তে ক্লিক করতে হবে।

 

read more articles