Blog by Instructory

“Find highlights of the exceptional, creative and healthy conversation on Instructory!”

Category: Course preview

Flyer Design – Based on Freelancing Marketplace

Flyer design

Flyer Design – Based on Freelancing Marketplace

আপনি কি এডোবি ইলাস্ট্রাটর এবং এডোবি ফটোশপ এর বেসিক জানেন??? তাহলে ফ্লায়ার ডিজাইন কোর্সটি আপানার জন্য একদম পারফেক্ট ।
ফ্লায়ার ডিজাইন করাই হয় প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের প্রচারের জন্য । কে কতোটা ইউনিক ফ্লায়ার ডিজাইন করতে পারেন তা নির্ভর করে তার রিসার্চের দক্ষতার উপর । এরপর আসবে কে কতোটা ভালভাবে ক্লায়েন্টর রিকুয়ারমেন্ট বুঝতে পারেন তার উপর । যত দ্রুত আপনি ক্লায়েন্টর রিকুয়ারমেন্ট বুঝতে পারবেন তত দ্রুত আপনি ডিজাইনে মনোযোগ দিতে পারবেন । আর যখন আপনি ফ্লায়ার ডিজাইনে ক্লায়েন্টর রিকুয়ারমেন্ট + ডিজাইনের কম্বিনেশন করতে পারবেন তখনি আপনি একজন সফল ফ্লায়ার ডিজাইনার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন ।

কোর্সে কি পাবেন?

১. ফ্লায়ার কি?
২. সম্পূর্ণ নতুন ২০ টা প্রোজেক্ট।
৩. সবগুলো মার্কেটপ্লেস বেসড প্রোজেক্ট।
৪. কোন ধরনের প্রোজেক্ট এ কি ধরনের কাজ করতে হবে ।
৫. ফ্লায়ার ডিজাইনের উদ্দেশ্য ।
৬.স্পেশাল কিছু ট্রিকস যা একটি ফ্লায়ার ডিজাইনকে অনেক স্মুথলি করতে সাহায্য করবে ।
৭. কিভাবে ফ্রি এলিমেন্ট ব্যবহার করে কাজ করবেন ।
৮. ৪৫টি লেসন রয়েছে যারা ভিডিও ডিউরেশান ১০+ ঘন্টা।এবং ভবিষৎে আরও লেসন, টিপস/ট্রিকস সংযুক্ত করা হবে ।
৯. কিভাবে ক্লায়েন্টের রিকুয়ারমেন্ট পর্যালোচনা করে প্রোজেক্ট কমপ্লিট করা যায়।
১০. কিভাবে আপনার ফ্লায়ারটি মার্কেটে একটা পারফেক্ট কম্পিটিটর হিসেবে কাজ করবে।

কি কি জানা লাগবে?

আগেই বলেছি এডোবি ইলাস্ট্রাটর এবং এডোবি ফটোশপ এর বেসিক মানে গ্রাফিক ডিজাইনের বেসিক জানলেই আপনি একজন সফল ফ্লায়ার ডিজাইনার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন ।

ইনকাম ?

ইনকাম করবেন কাজ শেখার পর । যদি আপনার স্কিল, কমিউনিকেশন এবং একটা সুন্দর পোর্টপোলিও রেডি থাকলে ইনকাম করা কোনও ব্যাপার না। এবার আসি অ্যামাউন্ট প্রসঙ্গে । প্রোজেক্ট আর ক্লায়েন্টের উপর ডিপেন্ড করে একটা প্রোজেক্ট ৫ ডলার থেকে ১০০+ ডলার ইনকাম হতে পারে ।

কোর্স লিংক:

ইন্সট্রাক্টর- শাহিদা আরবী
মুল্য – ২৮৭৫ টাকা মাত্র (১৫% ভ্যাট যোগ করে)
read more articles

ওয়ার্ডপ্রেস

wordpress

ওয়ার্ডপ্রেস

ওয়ার্ডপ্রেস বর্তমান সময়ের বহুল ব্যবহৃত এবং সর্বাধিক জনপ্রিয় কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ওয়ার্ডপ্রেস এমন একটি সিএমএস যার মাধ্যমে খুব সহজেই যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট এবং ব্লগ তৈরি করা যায়। এটি ওপেনসোর্স সফটওয়ার হওয়ায় বিশ্ব দরবারে অধিক জনপ্রিয়।

ওয়ার্ডপ্রেসের সাফল্যের চাবিঃ

ওয়ার্ডপ্রেস এর সাফল্যের মুল চাবি হল এর আধুনিকায়ন। যুগের সাথে তাল মিলাতে ওয়ার্ডপ্রেস পায় প্রতি বছরই ওয়ার্ডপ্রেসের বড় ধরনের আপডেট নিয়ে আসে। তাছাড়া প্রতিনিয়তই ছোট ছোট আপডেট নিয়ে আসে ওয়ার্ডপ্রেস। যা এর ব্যবহারকারীদেরকে দেয় নতুনত্তের ছোঁয়া। তাছাড়া ওয়ার্ডপ্রেস হল সহজ এবং নিরাপদ একটি কন্টেন্ট মেনেনেজমেন্ট সিস্টেম। ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে নিজস্ব থিম এবং প্লাগিন ডাইরেক্টরি যেখানে আছে অসংখ্য থিম এবং প্লাগিন। এটাও এর জনপ্রিয়তার একটি কারন।

ওয়ার্ডপ্রেসের সুবিধা সমূহঃ

আসলে ওয়ার্ডপ্রেসের সুবিধার কথা বলে শেষ করা যাবে না। তারপরেও ওয়ার্ডপ্রেসের প্রধান কিছু সুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করছিঃ
  • ওয়ার্ডপ্রেস একটি ওপেনসোর্স সিএমএস বিধায় এর জন্য কোন অর্থ প্রদান করতে হয় না।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস, যা অদক্ষ ব্যবহারকারীও খুব সহজেই এটা ব্যবহার করতে পারে।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে অগণিত থিম এবং প্লাগিন এর ফ্রি ডাইরেক্টরি, যা আপনার কাজকে করে তুলবে গতিময় এবং আরও সহজ।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে ব্লগসাইট, বিজনেস সাইট, ই-কমার্স সাইট, বিভিন্ন ওয়েব এপ্লিকেশন সাইট ইত্যাদি সহ যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট খুব সহজেই তৈরি করা যায়।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের রয়েছে অসাধারন একটি টেক্সট এডিটর যেখানে আপনি একসাথে ভিজুয়াল এবং HTML ভিউতেই লিখতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে রয়েছে বিল্ট-ইন মিডিয়া আপলোডার, যার মাধ্যমে খুব সহজেই লেখার মাঝে ছবি, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি যুক্ত করতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে রয়েছে ইউজার ফ্রেন্ডলি নেভিগেশন সিস্টেম। যা, আপনার ওয়েবসাটকে করে তুলবে সুন্দর এবং সহজ।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইটটিকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইটের সাথে যুক্ত করতে পারবেন। এতে বিশ্বের সাথে আপনার ওয়েবসাইটটি পরিচিত হবে।
  • ওয়ার্ডপ্রেস একটি সম্পূর্ণ এসইও ফ্রেন্ডলি CMS, ফলে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে আপনার ওয়েবসাইট থাকবে এক ধাপ এগিয়ে।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে রয়েছে ইউআরএল স্ট্রাকচার নিয়ন্ত্রন করার ব্যবস্থা। ফলে আপনি আপনার ইচ্ছামতো এটাকে পরিবর্তন করতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের সব গুন এভাবে বলা সম্ভব না। আপনি এটা ব্যবহার করলেই এটার প্রেমে পরে যাবেন নিশ্চিত।

ওয়ার্ডপ্রেস এর বর্তমান চাহিদাঃ

ওয়ার্ডপ্রেসে সহজেই সবকিছু করা যায় বলে বিশ্বব্যাপী এই কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(সিএমএস) এর এত চাহিদা। ছোট এবং মাঝারি ব্যবসা থেকে শুরু করে বড় বড় কর্পোরেট এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও এখন ওয়ার্ডপ্রেস (সিএমএস) দিয়ে নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরি করছে। আর এ কারণেই ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাহিদা বাড়ছে দিন দিন বাড়ছে! বাংলাদেশী অনেক ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার রয়েছেন যারা ফ্রিল্যান্সার এবং ফাইবার-আপওয়ার্ক সহ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ ডলার রেটে কাজ করে থাকেন। একজন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার কাজ শুরু করতে পারেন ন্যূনতম ১০ থেকে ১২ ডলার প্রতি ঘন্টা রেটে। অর্থ্যাৎ দিনে যদি কেউ ৮ ঘন্টা কাজ করেন তবে একজন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারের প্রাথমিক আয় শুরু হবে প্রতি দিন ৮০ থেকে ১০০ ডলার, মাসে ৩ হাজার ডলার।
এ তো গেল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোর কথা, আবার একজন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার চাইলে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ না করে নিজস্ব ওয়ার্ডপ্রেস প্রোডাক্ট তৈরি করেও বিশাল আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে পারেন। যেমন ওয়ার্ডপ্রেস থিম তৈরি করেও সেগুলো বিক্রি করতে পারেন বিভিন্ন থিম মার্কেটপ্লেসে। থিম বিক্রির জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস থিমফরেস্টের কর্পোরেট ক্যাটেগরির শীর্ষ বিক্রি হওয়া থিমগুলোই একবার দেখুন, কি পরিমাণ রেভুন্যু এসেছে একেকটা থিম থেকে!! এক ‘ইউ ডিজাইন’ থিম টা-ই বিক্রি হয়েছে ৮ কোটি টাকা!! এখনও প্রতিদিনই বিক্রি হচ্ছে এ থিমটি। এর পরের থিমগুলোও বিক্রি হয়েছে ৬ কোটি টাকা-৭ কোটি টাকা!! চিন্তা করে দেখুন একবার, এক থিম ডেভেলপ করে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপাররা কি পরিমাণ টাকা ঘরে নিচ্ছেন। থিম বিক্রির এ মার্কেটপ্লেসে থিম বিক্রির গড় হার ১০ লাখ টাকা করে। অর্থ্যাৎ সময় এবং নিজের ক্রিয়েটিভিটিকে কাজে লাগিয়ে থিম তৈরি করেও বিপুল পরিমাণ আয় করার সুযোগ রয়েছে। বিপুল পরিমাণ এ অর্থের একটা অংশ আসতে পারে নিজের ঘরেও!
কেবল প্রোডাক্ট কিংবা ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ারই নয়, কর্পোরেট এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোতেও এখন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাহিদা অনেক। বিদেশী কোম্পানিগুলোতে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের প্রচুর চাহিদা, আর এখন বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাকুরির সুযোগ বাড়ছে।
ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট এখন এমন একটি ক্ষেত্র, যেখানে কাজের আসলে কোন অভাব নেই। বিশাল এই কাজের ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য এখন কেবল প্রয়োজন দক্ষতা। আপনার যদি মনোবল আর ইচ্ছা থাকে, তবে এই দক্ষতা অর্জন কোন ব্যাপার নয়।
ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ইন্সট্রাক্টরিতে ” কমপ্লিট ওয়ার্ডপ্রেস থিম এন্ড প্লাগিন কাস্টমাইজেশন ফর বিগেনার” শিরোনামে ফারহান রহমান ভাই এর একটি কোর্স রয়েছে ।
read more articles

Learn Phonetics

ইংরেজি শেখাটা জরুরি- এ কথা সবাই মানেন। ঘরে বসেই অনলাইনে শিখে ফেলতে পারেন ইংরেজি।
শিক্ষার্থীদের শেখার জায়গা যদি হয় ক্লাসরুম, তাহলে পেশাজীবী কিংবা ব্যবসায়ীদের শেখার জায়গা কোথায়?’ উত্তরে অনলাইনের কথাই আসবে আগে। অনলাইনে শিক্ষামূলক অনেক বিষয় থাকে। ইংরেজি শেখারও সুযোগ আছে। পেশাজীবী কিংবা ব্যবসায়ীরাই শুধু নয়, শিক্ষার্থীরাও এর সুফল পাবেন। ব্যাকরণ, উচ্চারণ রীতি, কথোপকথন, ভোকাবুলারি, ফোনেটিক্স, বেসিক ইংলিশ, বিজনেস ইংলিশ, আইইএলটিএস, টোফেল, ইএসএল, ইএসওএল, ইএফএল, ইএসপি দিয়ে সমৃদ্ধ অনলাইনের ইংরেজি জগৎ। তা ছাড়া ইংরেজি ভাষা শেখার সহায়ক ই-বই, লেসন, অডিও, মুভিসহ অনেক রিসোর্স পাওয়া যাবে অনলাইনে। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন ওয়েবসাইট।

শুদ্ধ ইংরেজিতে কথোপকথন
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
ঘরে বসেই যাঁরা ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা করতে চান তাঁদের জন্য ইন্টারনেট সংযোগই যথেষ্ট। টিউটোরিয়াল সাইটগুলোতে শুদ্ধ কথোপকথন শেখার কৌশল ও দিকনির্দেশনার পাশাপাশি শুনে শেখার জন্য রয়েছে অসংখ্য অডিও ফাইল।
এমনই একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে- www.audioenglish.net
সাইটটিতে আড়াই হাজারের বেশি অডিও ফাইল রয়েছে।
ইংরেজিতে দক্ষতা যাচাই করারও অপশন আছে সাইটটিতে।

আরো কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানা-
www.audioenglish.net
www.focusenglish.com
www.teachingenglish.org.uk
www.yourenglishonline.com

ফোনেটিক্স কি, কেন প্রয়োজন? জানতে পারবেন Muhammad Yeasir স্যার এর ফেসবুক লাইভ থেকে ! check out here- https://www.facebook.com/Phonetician/videos/10215121188217539/UzpfSTM4NTE2ODQ3MTk0NjUxODo4ODQ3NTMwOTE5ODgwNTE/?epa=SEARCH_BOX

🔵 গল্পে গল্পে ফোনেটিক্স ।
ইন্সট্রাক্টর: মুহাম্মদ ইয়াসির
মূল্যঃ ৩৫০০ টাকা
কোর্স লিংক : https://instructory.net/…/tesolbangla…/golpe-golpe-phonetics

read more articles

মাইক্রোসফট এক্সেল কেন শিখবেন?

কেন মাইক্রোসফট এক্সেল শিখবেন?

নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্দিষ্ট সূত্র বা ফর্মূমুলা প্রয়োগে সম্পূর্ণ ও স্বক্রিয় ডাটাবেজ ফাইল তৈরি করা যায় মাইক্রোসফট এক্সেলে।
অর্থাৎ মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যবহার করে চুড়ান্ত, নিখুঁত এবং নির্ভুল ফলাফল প্রদর্শন করা যায়। এছাড়া বিভিন্ন ইনপুটকৃত বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে দর্শনীয় চার্ট বা গ্রাফ তৈরি করাও সম্ভব এই সফটওয়ারে। ডাটা বা এর ফলাফলের নিরিক্ষে প্রয়োজনীয় ছবি ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ডকুমেন্টের একটি চমকপ্রদ প্রেজেন্টেশনও তৈরি করতে পারবেন অনায়াসে।
বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করার জন্য সারা বিশ্বের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা মাইক্রোসফট এক্সেলের উপর নির্ভরশীল। কারণ, একমাত্র মাইক্রোসফট এক্সেলের সাহায্যেই প্রবেশকৃত ডাটার ভিত্তিতে আপনি যে কোন ধরনের নির্ভুল চার্ট তৈরি করতে পারেন।
বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করার জন্য সারা বিশ্বের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা মাইক্রোসফট এক্সেলের উপর নির্ভরশীল। কারণ, একমাত্র মাইক্রোসফট এক্সেলের সাহায্যেই প্রবেশকৃত ডাটার ভিত্তিতে আপনি যে কোন ধরনের নির্ভুল চার্ট তৈরি করতে পারেন।
যারা প্রাত্যহিক হিসাব নিকাশ নিয়ে কাজ করছেন- মাইক্রোসফট এক্সেল তাদের জন্য নিয়ে এসেছে চমৎকার ডাটাবেজ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে প্রাত্যহিক, সাপ্তাহিক, মাসিক এমনকি বার্ষিক হিসাব প্রতিবেদন পর্যন্ত তৈরি করতে পারবেন অত্যন্ত সহজ পদ্ধতিতে। প্রয়োজনিয় সূত্রের ব্যবহারে এবং সেই সাথে মনোগ্রাহী চার্ট বা গ্রাফ সংযোগ মাইক্রোসফট এক্সেল আপনাকে করতে পারে প্রয়োজনীয় পরিপূর্ন সহযোগিতা।

মাইক্রোসফট এক্সেল দিয়ে আমরা কি করতে পারি?

মাইক্রোসফট এক্সেলের সাহায্যে আপনি নিচের কাজ গুলো অনায়াসে করতে পারবেন।
আপনার প্রতিদিনের হিসাব ও বিশ্লেষণ।
  • সাপ্তাহিক, মাসিক এবং বার্ষিক হিসাব বিবরণীর প্রতিবেদন তৈরি।
  • অ্যাকাউন্টিং বা ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় যাবতীয় হিসাব সংরক্ষন ও ডেবিট- ক্রেটিটের পূর্ণ বিবরনীর তথ্যাদি সংরক্ষন ও বিশ্লেষণপূর্বক ফলাফল প্রদান করা।
  • যে কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারিদের বেতন, বোনাস সহ আয়-ব্যায়ের পূর্ণ বিবরণ সংরক্ষণ ও বিশ্লেশণ ভিত্তিক রির্পোট তৈরী করা।
  • ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হিসাব-নিকাশের পূর্ণ বিবরণী ডাটাবেজ ফাইল তৈরী করা সহ সব ধরনের পরিসংখ্যান করা।
  • সংখ্যাভিত্তিক যে কোন ধরনের ফরম্যাটের সুক্ষাতিসুক্ষ হিসাব বিবরনের দাখিলা প্রস্তুত সহ উপস্থাপনের জন্য রিপোর্ট আকারের তৈরী করা বা সব ধরনের আর্থিক ব্যবস্থাপনা করা যায়।
  • এছাড়া সংখ্যা ও ডাটাভিত্তিক যে কোন তথ্যে প্রয়োজনীয় সৌন্দর্যের অনুষঙ্গ যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের Chart ও Graph তৈরি করা যায়।
মাইক্রোসফট এক্সেলে আপনি যত নির্ভুলভাবে তথ্য এবং সংখ্যা ভিত্তিক ডাটা ইনপুট করাতে পারবেন- ফলাফল তত নির্ভুলভাবে প্রদর্শিত হবে। যে কোন ধরনের হিসাব নিকাশের কাজে মাইক্রোসফট এক্সেল তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে।
সবচেয়ে বড় কথা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে তৈরীকৃত বিভিন্ন সেল টেবিলের তথ্যগুলোকে এক্সেলের স্পেডশিটে নিয়ে আসা যায় অতি সহজেই। সুতরাং মাইক্রোসফট এক্সেল থেকে শুধু যে পরিসংখ্যান ভিত্তিক তথ্যাবলীর ইনপুট এবং আউটপুট পাওয়া যায় তা নয়- সেই সাথে সব ধরনের আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি নিখুঁত আউটপুট পেতে পারেন আপনি।
আপনার কর্মক্ষেত্রের একটি পরিপূর্ণ আর্থিক ব্যবস্থপনার জন্য আপনি অনায়াসে নির্ভর করতে পারেন মাইক্রোসফট এক্সেলের উপর। কারণ, মাইক্রোসফট এক্সেল হলো হিসাব নিকাশের জন্য একটি পরিপূর্ণ সফটওয়্যার। যে কোন ধরনের বেতন কাঠামো, ব্যবস্থাপনা সহ একটি কর্পারেট অফিসের যাবতীয় হিসাব ভিত্তিক কাজ আপনি সম্পূর্ণ করতে পারেন মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যবহার করে।
এছাড়া ইন্টানেটের মাধ্যমে পরিসংখ্যানগত বিভিন্ন আউটসোর্সিং কাজগুলো এক্সেল ভিত্তিক হয়ে থাকে। সুতরাং আপনি যদি এই ধরনের কাজে উৎসাহী হয়ে থাকেন-তাহলে মাইক্রোসফট এক্সেল শেখা আপনার জন্য খুবই জরুরী।

মাইক্রোসফ্ট এক্সেল বেসিক টু এডভান্সড

ইন্সট্রাক্টর: ফাহাম কবির
মূল্যঃ ২০০০  টাকা
read more articles

নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বেষ্ট অনলাইন মার্কেটপ্লেস “ফাইভার”

ফাইভার একটি ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস এবং বর্তমানে নতুনদের বা বাংলাদেশীদের কাছে সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয়। কিন্তু অনেকেই সঠিক গাইডলাইন এর অভাবে না বুঝে অ্যাকাউন্ট খুলে থাকেন।
আপনি যদি কোনো একটি নির্দিষ্ট কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলেই ফাইভার এ আপনি আপনার সেবা প্রদান কিংবা দক্ষতাকে প্রদর্শন করতে পারবেন।
ওয়েবসাইট : https://www.fiverr.com
কিভাবে ….
ফাইভার এ বেশ কয়েকটি ক্যাটেগরি রয়েছে এবং প্রতিটি ক্যাটেগরির মধ্যে আবার অনেকগুলি সাব-ক্যাটেগরি রয়েছে।
​ফাইভার এর প্রধান ক্যাটেগরি হচ্ছে-
গ্রাফিক্স এবং ডিজাইন, ডিজিটলি মার্কেটিং, রাইটিং এবং ট্রান্সলেশন, ভিডিও এবং এ্যানিমেশন, মিউজিক এবং অডিও, প্রোগ্রামিং এবং টেক, বিজনেস, ফান এবং লাইপ স্টাইল
​প্রতিটি ক্যাটেগরির মধ্যে থাকা সাব-ক্যাটেগরিও অনেক। এর মধ্যে থেকে আপনার ক্যাটেগরি নির্ধারন করে আপনাকে কাজ শুরু করতে হবে।

ফাইভার এর সুবিধা

  • এখানে এ্যাকাউন্ট তৈরি করা অনেক সহজ, যেকোন নতুন কেউ খুব সহজেই এখানে এ্যাকাউন্ট করতে পারবে। কিন্তু থাকতে হবে ভালো দক্ষতা।
  • ফাইভার আপনার একটি স্টল বা দোকানের মত, যেখানে আপনি আপনার নির্ধারিত কিছু পণ্য বা সেবা কিংবা পোর্টফলিও সাজিয়ে রাখতে পারবেন, যেগুলিকে গিগ (Gig) বলা হয়।একটি গিগ মানে, একটি কাজ যেমন: কি-ওয়ার্ড রিসার্চ।মনে করুন আপনি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারেন। তাহলে আপনি এখানে আপনার এই সেবাটি বিক্রয় করতে পারেন, যার মূল্য হতে পারে (সর্বনিম্ন ৫ ডলার – সর্বোচ্চ ১০০০০ ডলার)এই একটি সার্ভিসকেই আপনি আবার তিনটি প্যাকেজ (বেসিক , স্ট্যার্ন্ডাড ও প্রিমিয়াম) করে সেল করতে পারবেন।
  • এখানে আপনি বায়ার বা ক্লায়েন্ট রিকোয়েস্টের মাধ্যমেও কাজ করতে পারবেন।
  • আপনি পেপাল বা পেওনিয়ার কার্ডের বা ব্যাংক এর মাধ্যমে খুব সহজেই টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। বাংলাদেশ থেকে আপনি খুব সহজেই একটি ফ্রি পেওনিয়ার প্রি-পেইড মাষ্টার কার্ড পেতে পারেন।

এছাড়া ও ফাইভার ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে বিস্তারিত জানতে হলে আমাদের ফাইভার ফ্রিল্যান্সিং এ টু জেড কোর্সটি আপনার জন্য।

ফাইভার ফ্রিল্যান্সিং এ ২ জেড | 

ইন্সট্রাক্টর: রিফাত এম হক

মূল্যঃ ৩০০০ টাকা
কোর্স লিংক : https://instructory.net/course/fiverr/rifatmhuq/the-book-of-fiverr-freelancing-a-z

 

read more articles

ইমেল মার্কেটিং এবং মেইলচিম্প

email marketing

ইমেল মার্কেটিং কি ?

বিজ্ঞাপনের জগতে সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুত উপায়ে আপনার পণ্যর বিজ্ঞাপন ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর সবচেয়ে কার্যকারি পদ্ধতি হল ইমেইল মার্কেটিং। আপনি কি বিক্রি করছেন সেটা কোন বিষয় নয়। এক ক্লিকেই আপনার সার্ভিসটি সম্ভাব্য হাজার হাজার গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন।

মেইলচিম্প কি ?

মেইলচিম্প হল ইমেইল সেন্ডিং করার একটা কোম্পানি বা প্ল্যাটফর্ম । আপনি মেইলচিম্প এর ইমেইল সার্ভার ব্যবহার করে হাজার হাজার মেইল এক সাথে পাঠাতে পারবেন । অর্থাৎ পার্সোনাল সার্ভার না থাকলে মেইলচিম্প কে ভাড়া করে তাদের ইমেইল সার্ভার ব্যবহার করে মেইল পাঠাতে পারবেন ।

কি কি থাকছে এই কোর্সে ঃ-

১। ইন্সট্রাক্টর কে এবং কেন এই কোর্সটি করা হয়েছে।( ফ্রী ভিডিও)
২।এই কোর্সে কি কি শিখানো হবে।( ফ্রী ভিডিও)
৩।ইমেল মার্কেটিং কি এবং কত ধরনের ইমেল মার্কেটিং রয়েছে।( ফ্রী ভিডিও)
৪।ইমেল মার্কেটিং এর জন্য বেস্ট প্লাটফর্ম কোনটি।( ফ্রী ভিডিও)
৫।মেইলচিম্প কি? মেইলচিম্পে কি ভাবে একাউন্ট খুলতে হবে এবং কোন কোন প্লান গুলো বেঁচে নিতে হবে।
৬।মেইলচিম্প ডেশবোর্ড এর পরিচিতি।
৭।লিড জেনারেশন কি, কত ধরনের লিড রয়েছে এন্ড কিভাবে একটা ইমেল লিস্ট রেডি করতে হবে।
৮। মেইলচিম্প ইন্টিগ্রেশন।
৯।অডিয়েন্স কারা এবং কি ভাবে অডিয়েন্স ক্রিয়েট করতে হয়।
১০।গ্রুপ, সেগমেন্ট এন্ড টেগ এর ব্যবহার।
১১।কি ভাবে সহজে ইমেল এর ডিজাইন করা সম্ভব।
১২।বিভিন্ন উপায়ে টেম্পলেট ডিজাইন এর উপরে ৩টি পার্ট দেখানো হয়েছে।
১৩।নিউজ লেটারের মধ্যে কি ভাবে অডিও,ভিডিও এবং পিডিএফ ব্যবহার করা হয় তা দেখানো হয়েছে।
১৪।কিভাবে কেম্পেইন সেটাপ করা হয় এবং তা সফল ভাবে পরিচালিত করতে হয় তা দেখানো হয়েছে।
১৫। অটোমেশন কি এবং কি ভাবে কাজ করে।
১৬।ইন্টিগ্রেট গুগল এনালিটিক্স উইথ মেইলচিম্প
১৭।মেইলচিম্প ব্যবহার করে ইমেল মার্কেটিং এর প্রাইভেসি মেন্টেইন কি ভাবে করতে হবে
১৮।মার্কেটপ্লেসে এর ইমেল মার্কেটিং এর ডিমান্ড

এই কোর্স করার জন্য কি কি জানা লাগবে?

এই কোর্স করার জন্য শুধু কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট কিভাবে চালাতে হয় তা জানা থাকলে এই কোর্স করতে পারবে যে কেউ।

ইন্সট্রাক্টর ঃ টিসাত ফাতেমা টিয়া

প্রাইজ ঃ ৩৪৫০ টাকা
read more articles

Become a master in PSD to BOOTSTRAP

সবাই জানেন Responsive and Mobile first ওয়েব সাইট বর্তমানে অনেক জনপ্রিয়। সেটা যদি হয় HTML and CSS দিয়ে হয় অথবা সেটা যদি WordPress ওয়েব সাইট হয়। কিন্তু আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন নিয়ে কাজ করেন এবং খুব অল্প সময়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে এই কোর্সটি আপনার জন্য। কারন Bootstrap দিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যে একটি ওয়েব সাইটকে Responsive and Mobile first করা যায়।

কি কি থাকছে এই কোর্সে-

১. Bootstrap কি?
২. Bootstrap কেন ব্যবহার করবো?
৩. Responsive webdesign কি?
৪. Responsive webdesign ব্যবহার করলে আমাদের কি উপকার হবে!
৫. Bootstrap এর সকল কম্পোনেন্টের ব্যবহার (কিভাবে বুটর্স্ট্র্যাপ ব্যবহার করে জাভাক্রিপ্ট ছাড়া বুটর্স্ট্যাপের ক্লাস/আইডি কল করে গ্রিড সিস্টেম, স্লাইডার, টুলটিপস, স্ক্রুলস্পাই এরকম আরও অনেক কিছু। কাস্টোমাইজ করে ব্যবহার করা যায়।)
৬. থাকবে স্পেশাল কিছু ট্রিকস যা একজন ওয়েব ডিজাইনার এর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
৭. কমপ্লিট ২০টা পিএসডি দেখানো হয়েছে যে পিএসডি গুলো করলে মোটামুটি সব টাইপের ওয়েবসাইট সর্ম্পকে ধারনা পাওয়া যাবে। এবং একটা খুব সুন্দর পোর্টপোলিও তৈরি করতে পারবেন (ইনশাল্লাহ)।
৮. ৫৯টি লেসন রয়েছে যারা ভিডিও ডিউরেশান ২৬+ ঘন্টা।এবং ভবিষৎে আরও লেসন, টিপস/ট্রিকস ইনশাল্লাহ এড হতে থাকবে।
৯. পাশাপাশি দেখানো হয়েছে কিভাবে ক্লায়েন্টের প্রোজেক্ট কমপ্লিট করা যায়।
১০. সাথে কমপ্লিট গাইডলাইন পাবেন ওয়েবডিজাইন নিয়ে বুটর্স্ট্রাপের সাথে।

কি কি জানা লাগবে?

১. শুধু HTML and CSS বেসিক জানা থাকলেই করতে পারবেন এই কোর্সটি।

এই কোর্স করে কি মার্কেটপ্লেসে কাজ করা যাবে!

জ্বি অবশ্যই যাবে কারন আমি নিজেই মার্কেটপ্লেসে শুধু রেসপন্সিভ ওয়েব ডিজাইন নিযে কাজ করি।

কি রকম আর্নিং করা যেতে পারে?

ইনকাম ডিপেন্ড করে আপনার স্কিল, কমিউনিকেশনের এবং একটা সুন্দর পোর্টপোলিও এর উপর। যদি আপনার স্কিল ভালো থাকে এবং ক্লায়েন্টের সাথে কমিউনিকেশন করতে পারেন ইনশাল্লাহ একটা ভালো এমাউন্ট আসবে। এখন যদি প্রশ্ন আসে কত আসতে পারে তাহলে সেটা প্রোজেক্টের উপর ডিপেন্ড করে একটা ল্যান্ডিং প্রোজেক্ট ৫ ডলার থেকে ১০০+ ডলার হতে পারে।
কোর্স লিংক:-

ইন্সট্রাক্টর- সারোয়ার হোসেন নাজমুল

প্রাইস- ৪৬০০ টাকা মাত্র (১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।)

 

read more articles